টেকহাবস
কীভাবে উইন্ডোজের সাথে ডুয়াল বুটে লিনাক্স ইন্সটল করবেন? [দ্যা আল্টিমেট লিনাক্স ইন্সটলেশন গাইড!]

কীভাবে উইন্ডোজের সাথে ডুয়াল বুটে লিনাক্স ইন্সটল করবেন? [দ্যা আল্টিমেট লিনাক্স ইন্সটলেশন গাইড!]

এই আর্টিকেলে একেবারেই লম্বা সূচনা দিয়ে শুরু করতে চাচ্ছি না, সরাসরি চলে আসি কাজের কথায়। হয়তো আপনি উইন্ডোজের পাশাপাশি লিনাক্স ব্যবহার করবেন বলে মনোস্থির করেছেন, স্বাগতম! আপনি অলরেডি কম্পিউটার গীক হতে শুরু করেছেন! যাই হোক, যেকোনো লিনাক্স ডিস্ট্র ইন্সটল করা মোটামুটি একই প্রসেস, আর আমি এই সেটআপ গাইডে সবচাইতে জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্র উনুন্টু ইন্সটল করে দেখাবো। প্রত্যেকটি লিনাক্স ডিস্ট্র তিনভাবে ব্যবহার করা যায়। প্রথমত, কোন ইন্সটল ছাড়াই বুটেবল ইউএসবি বা লাইভ ডিভিডি থেকে পোর্টেবল ভাবে ইউজ করা যায়, মানে জাস্ট ইউএসবি ইন্সার্ট করেই লিনাক্স ডিস্ট্রটি ব্যবহার করতে শুরু করতে পাড়বেন। দ্বিতীয়ত, আপনি যেকোনো সাধারণ অপারেটিং সিস্টেমের মতোই সিঙ্গেলভাবে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করতে পাড়বেন এবং তৃতীয়ত, বেস্ট ম্যাথড হচ্ছে উইন্ডোজ বা আলাদা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি ডুয়াল বুটে লিনাক্স ইন্সটল করে দুইটি অপারেটিং সিস্টেম একসাথে ব্যবহার করতে পাড়বেন।

ইন্সটল প্রসেস একেবারেই সহজ, আপনি ইংরেজি পড়তে পাড়লে, আর কম্পিউটার সম্পর্কে সামান্য একটু জ্ঞান থাকলেই লিনাক্স যেকোনো ডিস্ট্র সহজেই ডুয়াল বুটে বা সিঙ্গেল বুটে ইন্সটল করতে পাড়বেন। তবে আপনি যদি একেবারেই নতুন হয়ে থাকেন, আমি উপরের প্যারাগ্রাফে কি বলেছি, একটুও যদি বুঝতে না পারেন, আমি নিচের লিঙ্ক করা আর্টিকেল গুলো পড়ার জন্য আপনাকে রেকমেন্ড করবো।

ইন্সটল উবুন্টু লিনাক্স

উবুন্টু বা যেকোনো লিনাক্স ডিস্ট্র ইন্সটলের পূর্বে আপনাকে অবশ্যই ডিস্ট্রটির আইএসও ফাইল ডাউনলোড করে নিতে হবে। তবে ডাউনলোড করার পূর্বে অবশ্যই মাথায় রাখবেন, ডিস্ট্রটি যেন অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা হয়, তা না হলে সিকিউরিটি রিস্ক থেকে যাবে। আরেকটি কথা, আপনি ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যারে উইন্ডোজের ভেতর থেকে লিনাক্স ইন্সটল করতে পাড়বেন, কিন্তু আমি এই প্রসেস রেকমেন্ড করিনা। কেনোনা ভার্চুয়াল মেশিনে অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটার সিস্টেম থেকে ফুল হার্ডওয়্যার রিসোর্স নিতে পারে না, এতে আপনি কখনোই স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স পাবেন না। তাছাড়া ভার্চুয়াল মেশিনে ওএস রান করানো অনেক র‍্যাম হাংরি ব্যাপার, কেনোনা আপনার কম্পিউটার একসাথে দুইটি অপারেটিং সিস্টেম রান রাখে। ডুয়াল বুট সিস্টেমে, কম্পিউটার বুট করার সময় আপনি যেকোনো একটি অপারেটিং সিস্টেম পছন্দ করে বুট করতে পাড়বেন। এতে পছন্দ করা অপারেটিং সিস্টেমটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার থেকে ফুল রিসোর্স অ্যাক্সেস করতে পাড়বে এবং স্মুথভাবে চলতে থাকবে।

১। ডাউনলোড লিনাক্স ডিস্ট্র

প্রথমেই উবুন্টু অফিশিয়াল ওয়েবসাইট চলে যান এবং উবুন্টু ডেক্সটপ আইএসও ডাউনলোড করুণ। আমি এই আর্টিকেলে উবুন্টু ডেক্সটপ ১৬.৪ এলটিএস ইন্সটল করে দেখিয়েছি, আপনিও এটি ডাউনলোড করতে পারেন। অথবা যদি উবুন্টু ডেক্সটপ ১৭.০ ইন্সটল করতে চান, সেটারও সেটআপ প্রসেস একই।

২। বুটেবল ইউএসবি তৈরি

এবার আপনাকে বুটেবল ইউএসবি তৈরি করতে হবে, যাতে উইন্ডোজ কম্পিউটারে সেই ইউএসবি ড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে লাইভ লিনাক্স ব্যবহার করতে পারেন, অথবা ইন্সটল করতে পারেন। যদি ডিভিডি বার্ন করেন, সেক্ষেত্রে বুটেবল ইউএসবি দরকার হবে না। কিন্তু তারপরেও বুটেবল ইউএসবি তৈরি একটি জনপ্রিয় ম্যাথড, এর অনেক সুবিধাও রয়েছে। প্রথমে অবশ্যই ৮ জিবি বা তার বড় ক্যাপাসিটির একটি ইউএসবি ড্রাইভ প্রয়োজন হবে এবং প্রসেস শুরুর আগে অবশ্যই নিশ্চিত হবে নেবেন, এতে কোন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা নেই, কেনোনা বুটেবল ইউএসবি তৈরি করার সময় ইউএসবি ড্রাইভটি ওয়াইপ করতে হবে। একটি ইউএসবি ড্রাইভের পরে আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি ফ্রী বুটেবল সফটওয়্যার টুলের, এক্ষেত্রে আমি রুফেস (Rufus) ব্যবহার করেছি, আরো অনেক টুল রয়েছে, আপনি সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন। এখান থেকে লেটেস্ট ভার্সন রুফেস ডাউনলোড করে নিন এবং ডাবল ক্লিক করে Rufus.exe ফাইলটি ওপেন করুণ।

রুফেস ওপেন হলে, প্রথমে ডিভাইস নামের ড্রপডাউন মেন্যু থেকে আপনার ইউএসবি ড্রাইভটি সিলেক্ট করে নিন। এবার নিচের দিকে দেখুন একটি সিডি রম আইকন রয়েছে, সেখান থেকে আপনার ডাউনলোড করা উবুন্টু আইএসও ফাইলটি ওপেন করে নিন। এবার সিডি আইকনের পাশের ড্রপডাউন মেন্যু থেকে “আইএসও ইমেজ” অপশনটি সিলেক্ট করে নিন। এবার সবকিছু একবার চেক করে নিন, আপনি ঠিকঠিক কনফিগার করেছেন কিনা, যদি সবকিছু ঠিক থাকে “স্টার্ট” বাটনে ক্লিক করলেই বুটেবল ইউএসবি প্রসেস শুরু হয়ে যাবে। এই প্রসেস শেষ হয়ে গেলেই আপনার পেন ড্রাইভ সম্পূর্ণ রেডি হয়ে যাবে।

৩। উইন্ডোজ মেশিনকে ডুয়াল বুটের জন্য প্রস্তুত করা

এবার আপনাকে আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারটি লিনাক্স ইন্সটল করার জন্য প্রস্তুত করতে হবে। প্রথমত যেটা অবশ্যই প্রয়োজনীয়, সেটা হচ্ছে হার্ড ড্রাইভ থেকে স্পেস ফাঁকা করা, আমি রেকমেন্ড করবো অন্তত ২৫ গিগাবাইট স্পেস ফাঁকা করতে হবে। যদি আপনার সি ড্রাইভে যথেষ্ট স্পেস থাকে, তাহলে তো সমস্যায় নেই, যদি না থাকে এই আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পারেন, কীভাবে উইন্ডোজ ১০ এ ফাঁকা স্পেস পেতে পারেন। সি ড্রাইভে যথেষ্ট স্পেস ফাঁকা করার পরে, আপনাকে লিনাক্সের জন্য আলাদা ড্রাইভ তৈরি করতে হবে। আপনি ম্যানুয়ালি ড্রাইভ তৈরি করতে পারেন, কিংবা ইন্সটল করার সময় স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভ তৈরি করতে পারেন। যদি লিনাক্স ইন্সটল করার সময় ড্রাইভ তৈরি করতে চান, সেক্ষেত্রে এই স্টেপটি স্কিপ করতে পারেন

সি ড্রাইভ থেকে স্পেস নিয়ে নতুন ড্রাইভ তৈরি করার জন্য কম্যান্ড প্রমট ওপেন করুণ। enter image description here + R প্রেস করুণ, এতে রান বক্স ওপেন হবে, রানে টাইপ করুণ cmd এবং এন্টার হিট করুণ, এতে কম্যান্ড প্রমট ওপেন হয়ে যাবে। কম্যান্ড প্রমট থেকে টাইপ করুণ, diskmgmt.msc — এতে উইন্ডোজ ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউটিলিটি ওপেন হবে। এখন সি ড্রাইভটি সিলেক্ট করে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুণ, এতে মেন্যু খুলবে, সেখান থেকে “শ্রিঙ্ক ভলিউম” সিলেক্ট করতে হবে।

এবার আপনি কতোটুকু স্পেস ফাঁকা করতে চান সেটার ভ্যালু প্রবেশ করাতে হবে। যদি যথেষ্ট স্পেস থাকে, আমি বলবো ২৫ জিবি স্পেস ফাঁকা করা, যদি যথেষ্ট স্পেস না থাকে কমপক্ষে ২০ জিবি দেওয়া উচিৎ। এখানে আমি ভার্চুয়াল মেশিনে সেটআপ করে দেখাচ্ছি, তাই ১৫ জিবি সিলেক্ট করেছি, এতে যেন বিভ্রান্ত হবেন না আবার।

আরো পড়ুন:  মেশিন লার্নিং | আপনি শিক্ষা দিন কম্পিউটারকে | বিস্তারিত

৪। স্টার্ট ইন্সটলিং

এবার আপনি একেবারেই রেডি, আপনাকে জাস্ট বুটেবল ইউএসবিটি প্লাগ করতে হবে এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে। এখন বিভিন্ন কম্পিউটারের বুট মেন্যু বিভিন্ন ভাবে আসে। সাধারণত নতুন কম্পিউটার গুলোতে কিছুই করতে হয় না, অন হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাবে “প্রেস এনি কী টু বুট ফ্রম ইউএসবি” অপশন চলে আসে। যদি না আসে আপনাকে BIOS/UEFI থেকে ইউএসবি বুট সিলেক্ট করতে হবে। এবার কম্পিউটার অন হলেই নিচের স্ক্রীন চলে আসবে। সেখান থেকে “ইন্সটল উবুন্টু” সিলেক্ট করে, তারপরে এন্টার হিট করতে হবে।

এবার বুট মিডিয়া সম্পূর্ণ আপনার র‍্যামে লোড হয়ে যাবে এবং সম্পূর্ণ লাইভ লিনাক্স ভার্সন রান হবে। এবার লাঞ্চার থেকে দ্বিতীয় আইকনটি সিলেক্ট করুণ যেখানে ইন্সটল উবুন্টু অপশন রয়েছে, তারপরে আপনাকে ভাষা নির্বাচন করতে হবে।

এই স্টেপে আমি রেকমেন্ড করবো আপনার পিসিতে ইন্টারনেট কানেক্ট করা, আপনি ইথারনেট বা ওয়াইফাই যেকোনো মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেক্ট করতে পারেন। এতে লিনাক্স ইন্সটল হওয়ার সময় যতো প্রয়োজনীয় আপডেট স্বয়ংক্রিয় ইন্সটল হয়ে যাবে, পরে আর কোন ঝামেলা হবে না।

এই স্টেপে এসে আপনি যদি “Install Ubuntu alongside Windows” নির্বাচন করেন, সেক্ষেত্রে লিনাক্স নিজে থেকেই পার্টিশন স্টেপটি হ্যান্ডেল করে নেবে। যদি আপনি এই আর্টিকেলে দেখানো ৩ নং স্টেপটি অনুসরণ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে “Something else” অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তবে ভুল করেও “Erase Disk” অপশনটি নির্বাচন করবেন না, এতে আপনার সম্পূর্ণ হার্ড ড্রাইভ ফাঁকা হয়ে যাবে। যেহেতু এখানে আপনি কাস্টম ড্রাইভ তৈরি করেছি, তাই এবার তিনটি কাস্টম পার্টিশন তৈরি করতে হবে। একটি Root পার্টিশন, একটি Home পার্টিশন এবং আরেকটি swap পার্টিশন, এটি মূলত ভার্চুয়াল র‍্যাম হিসেবে কাজ করে, যদি আপনার কম্পিউটারে র‍্যাম কম থাকে, লিনাক্স swap মেমোরি ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নেবে। আপনার যদি ফাস্ট হার্ড ড্রাইভ থাকে, সেক্ষেত্রে ভালো পারফর্মেন্স পাবেন। আপনার যদি এসএসডি লাগানো থাকে, আমি হাইলি রেকমেন্ড করবো swap পার্টিশন তৈরি না করার।

আমরা উপরের স্টেপে, উইন্ডোজ ড্রাইভ থেকে যে স্পেস ফাঁকা করেছিলাম, সেটা এখানে সিলেক্ট করে নিন। এবার নিচের প্লাস আইকনের ক্লিক করুণ। এবার সাইজ রাখুন, কমপক্ষে ১৫ জিবি (আপনার ফাঁকা স্পেস অনুসারে), তারপরে “টাইপ ফর দ্যা নিউ পার্টিশন” হিসেবে সিলেক্ট করুণ “প্রাইমারী”। “Location for the new partition” হিসেবে সিলেক্ট করুণ “Beginning”। “Use as” থেকে “EXT4 journaling file system” সিলেক্ট করুণ। ব্যাস, হয়ে গেলো! যদি এখনো বুঝতে সমস্যা হয় নিচের স্ক্রীনশটটি দেখে নিতে পারেন।

এবার আপনাকে একটি হোম পার্টিশন তৈরি করতে হবে, আবার ফ্রী স্পেস সিলেক্ট করে প্লাস আইকনটিতে ক্লিক করুণ। যদি আপনার পিসিতে র‍্যাম কম থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে swap পার্টিশন তৈরি করতে হবে, যদি ৪ জিবি বা তার উপর র‍্যাম থাকে তো swap পার্টিশন তৈরি করার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে বাকী সমস্ত ফাঁকা স্পেস দিয়ে হোম পার্টিশন বানাতে পারেন। যদি swap পার্টিশন বানাতে চান, সেক্ষেত্রে ৪ জিবি (৪০৯৬ মেগাবাইট) স্পেস swap পার্টিশনের জন্য ফাঁকা রেখে বাকী সমস্ত স্পেস Home পার্টিশনে দিয়ে দিতে পারেন। এজন্যই ২৫ জিবি স্পেস ফাঁকা করা বেস্ট হবে উইন্ডোজ ড্রাইভ থেকে, এতে রুট ড্রাইভের জন্য ১৫ জিবি, swap পার্টিশনের জন্য ৪ জিবি এবং বাকীটা হোম পার্টিশনে দিয়ে দিতে পাড়বেন। নিচের ছবির মতো করে হোম পার্টিশন কনফিগ করুণ। কনফিগ করা রুট পার্টিশনের মতোই কিন্তু জাস্ট “Mount point” থেকে “/home” ডিরেক্টরি দেখিয়ে দিতে হবে।

আমি মনে করি, আজকের বেশিরভাগ পিসিতে কমপক্ষে ৪জিবি র‍্যাম রয়েছেই, সেক্ষেত্রে swap পার্টিশন তৈরি করার দরকার নেই, তবে সিস্টেমে মাত্র ১ জিবি র‍্যাম থাকলে অবশ্যই তৈরি করা বেটার হতে পারে। আর আপনি উপরের যে হোম পার্টিশন তৈরি করলেন, সেটা জাস্ট ফাইল স্টোর করার জন্য, এতে রুট পার্টিশনের অপারেটিং সিস্টেম ফাইল আর আপনার কাজের ফাইল গুলো মিলেমিশে এক হয়ে যাবে না। তবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম থেকে কিন্তু এই হোম ড্রাইভ রীড করতে পাড়বেন না। যদিও লিনাক্স থেকে উইন্ডোজের সকল ড্রাইভ রীড করতে পাড়বেন। swap পার্টিশন তৈরি করতে, জাস্ট আগের মতোই ফাঁকা স্পেস সিলেক্ট করে প্লাস আইকনে ক্লিক করুণ, এবার আগের মতোই কনফিগ হবে, জাস্ট “Use as” থেকে “swap area” সিলেক্ট করে দিতে হবে। নিচের স্ক্রীনশট’টি দেখুন, আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সকল প্রসেস শেষ হয়ে যাওয়ার পরে, “Install Now” বাটন প্রেস করুণ। এখন যদি আপনি swap পার্টিশন তৈরি না করেন, সেক্ষেত্রে একটি পপআপ ম্যাসেজ আসতে পারে, যাই হোক, সেটাকে ইগনোর করতে Continue বাটন প্রেস করুণ তারপরে write changes to disk পপআপ আসবে, জাস্ট Continue বাটন প্রেস করুণ, এবার আপনার ইন্সটলেশন প্রসেস শুরু হয়ে যাবে। নেক্সট স্টেপে আপনার কাছে ফিজিক্যাল জিওলোকেশন সিলেক্ট করতে বলা হবে, এখানে সিলেক্ট করে দিন। তারপরে কীবোর্ড লেআউট সিলেক্ট করুণ। তারপরের স্টেপে আপনাকে অ্যাকাউন্ট ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি নির্বাচন করতে বলা হবে, জাস্ট সেটআপ করে নিন।

ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড নির্বাচন করে Continue বাটন হিট করলেই ইন্সটল হওয়া শুরু হয়ে যাবে। ইন্সটল প্রসেস শেষ হয়ে গেলে আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়ে যাবে, তারপরে কম্পিউটার অন হলে লিনাক্সের Grub মেন্যুটি দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি উবুন্টু বা উইন্ডোজ যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম সিলেক্ট করে রান করাতে পাড়বেন। আর হ্যাঁ, লিনাক্স ইন্সটল শেষে কম্পিউটার যখন রিস্টার্ট চাইবে সেসময় বুটেবল ইউএসবি খুলে নেবেন।


স্বাগতম! আপনি সফলভাবে ডুয়াল বুটে লিনাক্স (উবুন্টু লিনাক্স) ইন্সটল করতে সক্ষম হয়েছেন। এবার প্রতিবার কম্পিউটার অন করার সময় লিনাক্স অথবা উইন্ডোজ থেকে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম পছন্দ করে ব্যবহার করতে পাড়বেন। লিনাক্সের যেকোনো ডিস্ট্র ইন্সটল করার নিয়ম একেবারেই সেইম, কিন্তু আলাদা ডিস্ট্রর সেটআপ ইন্টারফেস একটু আলাদা হতে পারে, বাট একটু পড়ে ইন্সটল করলে আপনি যেকোনো ডিস্ট্রই ইন্সটল করতে পাড়বেন। এ সেটআপ প্রসেস নিয়ে যেকোনো প্রশ্নে আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আর হ্যাঁ, এখন থেকে নিয়মিত লিনাক্স নিয়ে টিউটোরিয়াল পাবলিশ করা হবে, সুতরাং টেকহাবসের সাথেই থাকুন।

তাহমিদ বোরহান

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

12 comments

টেক নিউজ!

সবার আগে সকল সর্বশেষ প্রকাশিত টেক নিউজ গুলো চেক করুণ! স্মার্টফোন/গ্যাজেট রিলিজ, ইন্টারনেট নিউজ, টেক দুনিয়ার সবকিছুর সাথে থাকুন সর্বদা আপডেটেড!

সোশ্যাল মিডিয়া

লজ্জা পাবেন না, সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে টেকহাবসের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!