টেকহাবস

টাইম ট্রাভেল করে কি অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব?

টাইম ট্রাভেল বিষয়টি নিয়ে মানুষের আগ্রহের এবং কল্পনার শেষ নেই। যদি বলা হয় সাইন্সের সবথেকে রহস্যময় জিনিসটি কি, আপনি নিঃসন্দেহে উত্তর দেবেন, টাইম ট্রাভেলিং। ছোটবেলায় দেখা প্রিয় কার্টুন সিরিজ ডোরেমন থেকে শুরু করে অসংখ্য সাইন্স ফিকশন মুভি এবং ডকুমেন্টরিতে মানুষের টাইম ট্রাভেলিং নিয়ে কল্পনার চিত্র ফুটে উঠেছে। টাইম ট্রাভেলিং বলতে আমরা দুটি জিনিস বুঝি। একটি হচ্ছে টাইম ট্রাভেল করে ভবিষ্যতে যাওয়া এবং টাইম ট্রাভেল করে অতীতে ফিরে যাওয়া। প্রথমত, আজকে আমি এই নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছিনা যে, টাইম ট্রাভেল কিভাবে সম্ভব এবং কিভাবে করতে হবে। সত্যি কথা বলতে, আমি নিজেও ভালভাবে জানিনা এগুলো। ভবিষ্যতের টাইম ট্রাভেল নিয়ে নয়, আমি শুধুমাত্র এই নিয়ে আলোচনা করবো যে, যদি টাইম ট্রাভেল কিভাবে করতে হবে সেটা আমরা জেনে থাকি এবং আমাদের কাছে একটি সম্পূর্ণ ফাংশনাল টাইম মেশিনপও থেকে থাকে, তবুও কি অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব টাইম ট্রাভেল করে? অতীতে ফিরে যেতে পারলেও এখানে কি কি সমস্যা আছে?


স্টিফেন হকিং এর টাইম ট্রাভেলার পার্টি

আমরা সবাই তো স্টিফেন হকিংকে চিনি, যিনি কিছুদিন আগে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ৯ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৯ সালে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং ইউনিভারসিটি অফ ক্যামব্রিজের কাছে একটি পার্টির আয়োজন করেন। পার্টিটি অনুষ্ঠিত হয় ২৮ শে জুন, ২০০৯ তারিখে। কিন্তু এখানে একটি আজব ব্যাপার হচ্ছে, বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং পার্টির ইনভাইটেশন লেটার মানুষকে পাঠান পার্টিটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরে। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এই পার্টিটি ছিল শুধুমাত্র ট্রাইম ট্রাভেলারদের জন্য। হ্যাঁ, অবশ্যই তিনি পার্টিটি একা উদযাপন করেছিলেন। তবে, পার্টিটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরে মানুষকে ইনভাইটেশন পাঠানোর মানে হচ্ছে, শুধুমাত্র সেই মানুষরাই পার্টিটির ইনভাইটেশন পাবে এবং পার্টিতে উপস্থিত হতে পারবে, যারা ইনভাইটেশন পেয়ে টাইম ট্রাভেল করে অতীতে ২৮ শে জুন, ২০০৯ তারিখে ফিরে যেতে পারবে। হকিং বলেছেন যে তার এই পার্টিটির ইনভাইটেশন হাজার হাজার বছর ধরে থাকবে এবং সুদূর ভবিষ্যতে হয়তো কেউ না কেউ টাইম ট্রাভেল করে এসে তার এই পার্টিটি অ্যাটেন্ড করবে। এখানেই অতীতে টাইম ট্রাভেল করা সম্ভব কিনা এই প্রশ্নটি চলে আসে।

টাইম ট্রাভেল

টেকনোলজি যেভাবে উন্নত হচ্ছে এবং হতেই থাকছে, সে অনুযায়ী সুদূর ভবিষ্যতে টাইম ট্রাভেলিং যে সম্ভব হবেনা, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়না। কিন্তু অতীতে টাইম ট্রাভেল করলে এখানে কিছু যুক্তিযুক্ত সমস্যা থেকেই যায় যেগুলোর সমাধান করা সম্ভব নয় এবং যে সমস্যাগুলোর কথা চিন্তা করলে সম্পূর্ণ টাইম ট্রাভেলিং এর কনসেপ্টটাই মিথ্যা হয়ে যায়।

হিটলার প্যারাডক্স

আচ্ছা, ধরুন আপনাকে এখন একটি সম্পূর্ণ ফাংশনাল টাইম ম্যাশিন ব্যবহার করতে দেওয়া হল। আপনাকে এই টাইম ম্যাশিন ব্যবহার করে অতীতে যেকোনো সময় ঘুরতে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হলো। তাই আপনি টাইম ম্যাশিনের অ্যাক্সেস পেয়ে ভাবলেন যে, আপনি এটি ব্যবহার করে গত ১৮ শতকের শেষের দিকে ঘুরতে যাবেন। সেখানে গিয়ে বালক হিটলারকে খুঁজে বের করবেন এবং গুলি করে মেরে ফেলবেন যাতে সে বড় হয়ে এসব যুদ্ধ-বিগ্রহ করতে না পারে। বেশ ভালো আইডিয়া। তবে চিন্তা করে দেখুন একটু। এখানে সমস্যাটি হচ্ছে, আপনি অতীতে টাইম ট্রাভেল করে ফিরে গিয়ে হিটলারকে মেরে ফেলার মানে হচ্ছে, হিটলার বড় হয়ে এসব যুদ্ধ-বিগ্রহ করার আগেই আপনি তাকে এই পৃথিবী থেকে এবং ইউনিভার্স থেকে ডিলিট করে দিচ্ছেন।

টাইম ট্রাভেল

এর মানে হচ্ছে, হিটলার এসব কিছুই করতে পারলো না। কারন হিটলার তখন আর জীবিতই নেই। তাই পৃথিবীর ইতিহাসে তখন আর হিটলার নামের কেউ নেই এবং সে কি করেছে না করেছে সেসবও কিচ্ছু নেই। এর মানে হচ্ছে, আপনারও হিটলার সম্পর্কে কিছু জানার কোন উপায় নেই। ভেবে দেখুন, হিটলার যদি জীবিতই না থাকলো, তাহলে হিটলার সম্পর্কে ভবিষ্যতে কোন ইনফরমেশন পৃথিবীর ইতিহাসেই থাকলো না এবং আপনি আপনার জন্মের পরে থেকে হিটলার নামে কেউ ছিল তাও জানলেন না। হিটলার আগে থেকেই মৃত হওয়ায়, অতীতে ফিরে এসে হিটলারকে আবার হত্যা করার কোন কারনই নেই আপনার কাছে। তাহলে আপনি হিটলারকে কেন মারলেন? এই সমস্যাটির নাম হচ্ছে হিটলার প্যারাডক্স যা টাইম ট্রাভেলিং এর কনসেপ্টকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।

গ্র্যান্ডফাদার প্যারাডক্স

বোঝাটা একটু কঠিন হয়ে গেল? তাহলে আরেকটু সহজভাবে ব্যাখ্যা করা যাক। এমন আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, গ্র্যান্ডফাদার প্যারাডক্স। ধরুন, আপনি একটি টাইম মেশিনের অ্যাক্সেস পেয়ে ভাবলেন আপনার বাবার বাবা অর্থাৎ আপনার দাদা যখন বালক বয়সী ছিল, সেই সময়টাতে ঘুরতে যাবেন। টাইম ট্রাভেলার ম্যাশিনে ১৯০০ এর পরে তেমনই একটা সাল সেট করে চলে গেলেন সেই সময়ে। এখন ধরুন, এই সময়ে গিয়ে আপনার বালক বয়সী দাদাকে আপনি গুলি করে মেরে ফেললেন। আমি জানি আপনি এটা কখনোই করবেন না, জাস্ট মনে করুন আপনি মেরে ফেললেন।

আরো পড়ুন:  ফুয়েল সেল | পানি দিয়ে কি গাড়ি বা মোটর সাইকেল চালানো সম্ভব?

টাইম ট্রাভেল

এবার চিন্তা করে দেখুন তো, আপনার দাদাকে যদি অতীতে গিয়ে বালক বয়সী থাকতেই আপনি মেরে ফেলেন, তাহলে আপনার বাবার জন্ম হবেনা। আর আপনার বাবারই যদি জন্ম না হয়, তাহলে আপনার নিজেরই জন্ম হবেনা। তার মানে, অতীতে গিয়ে আপনি আপনার দাদাকে হত্যা করার মানে হচ্ছে, আপনার নিজেরই জন্ম না হওয়া। কিন্তু আপনার দাদাকে হত্যা করা এবং টাইম ট্রাভেলিং করার জন্য আপনার নিজেকে তো জীবিত থাকতে হবে তাইনা? আপনার নিজের জন্মই যদি না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি টাইম ট্রাভেল করলেন কিভাবে এবং আপনার দাদাকেই বা হত্যা করলেন কিভাবে? এবার কিছুটা বুঝলেন অতীতে টাইম ট্রাভেল করার সমস্যাটি কোথায়?

বুটস্ট্র্যাপ প্যারাডক্স

অতীতে টাইম ট্রাভেল করা নিয়ে আরেকটি জনপ্রিয় প্যারাডক্স এটি। আমরা সবাই শেক্সপিয়ারকে চিনি। ধরুন, আপনি শেক্সপিয়ারের যতগুলো বই আছে, সবগুলো কালেক্ট করে নিয়ে অতীতে টাইম ট্রাভেল করে চলে গেলেন সেই সময়টাতে, যখন শেক্সপিয়ার বালক বয়সী ছিল এবং যখন সে কোন বই লেখেনি। তখন সেখানে গিয়ে বালক শেক্সপিয়ারকে আপনি ওই সব বইগুলো দিলেন। এবার শেক্সপিয়ার যা করলো তা হচ্ছে, সেই বইগুলো থেকেই জ্ঞান নিয়ে মুলত সেই বইগুলোকেই আবার রিক্রিয়েট করলো। এখানে বালক শেক্সপিয়ারের নিজের কোন জ্ঞানের দরকার হলো না।

টাইম ট্রাভেল

কিন্তু তাহলে এই বইগুলো লিখতে যে জ্ঞানের দরকার হল সেটা কোত্থেকে আসলো? শেক্সপিয়ারের কাছ থেকে না। কারন, বালক শেক্সপিয়ার শুধুমাত্র আপনি যা দিয়েছেন তাই কপি করেছে। আবার জ্ঞানটি আপনার মাথা থেকেও আসেনি। কারন, আপনি ভবিষ্যৎ থেকে শেক্সপিয়ারের নিজের বইগুলোই কালেক্ট করে অতীতে বালক শেক্সপিয়ারের কাছে নিয়ে এসেছেন। জ্ঞানটি শেক্সপিয়ারের নয় এবং আপনারও নয়। তাহলে এই বইগুলোতে থাকা কন্টেন্টগুলো জেনারেট হল কোথা থেকে? কন্টেন্ট জেনারেট করতে হলে তো অবশ্যই কারো না কারো জ্ঞানের দরকার। এই সমস্যাটিই মুলত বুটস্ট্র্যাপ প্যারাডক্স নামে পরিচিত এবং এটি অতীতে টাইম ট্রাভেল করার কনসেপ্টটিকে আরেকটু প্রশ্নবিদ্ধ করে।

প্যারাডক্সের সল্যুশন

সত্যি কথা বলতে অতীতে টাইম ট্রাভেল করলে এই প্যারাডক্সগুলোকে আটকানো সম্ভব নয়। তবে যদি সত্যিই ভবিষ্যতে টাইম ট্রাভেল করার কোন সুযোগ তৈরি হয়, তখন এই প্যারাডক্সগুলোর কোন না কোন লজিকাল সল্যুশন তৈরি হতেও পারে। এমনও হতে পারে যে, ভবিষ্যতে টাইম ট্রাভেলারদের কিছু লিমিটেশন থাকবে যে তারা অতীতে গেলে কি করতে পারবে এবং কি কি করতে পারবে না। কিন্তু এসব প্যারাডক্সের কথা চিন্তা করলে টাইম ট্রাভেলারদেরকে অতীতের কিছুই চেঞ্জ করতে দেওয়া যাবেনা। তাদেরকে শুধুমাত্র একজন দর্শকের মতো অতীতকে দেখতে হবে।

অতীতের কোনকিছুর সাথেই যদি তাদেরকে ইন্টার‍্যাক্ট করতে দেওয়া হয়, তখনই শুরু হবে নতুন নতুন কমপ্লিকেশনস এবং প্যারাডক্স যেগুলো হতে পারে তার নিজের অস্তিত্তের জন্য এবং এমনকি আরও অনেক মানুষের অস্তিত্তের জন্য অনেক বিপদজনক। কিন্তু মানুষ যদি টাইম ট্রাভেল করে অতীতের কিছুর সাথে ইন্টার‍্যাক্ট করতে না পারে, তাহলে সত্যিকার অর্থে সেটাকে টাইম ট্রাভেলিং বলা যায়না। যাইহোক, এসব নিয়ে বলতে থাকলে হাজার হাজার ওয়ার্ড পার হয়ে যাবে। বাকিটা আপনি নিজেই চিন্তা করতে থাকুন। আর হ্যাঁ, আমি কিন্তু একবারও বলিনি যে টাইম ট্রাভেলিং সম্ভব। আমি শুধুমাত্র বলেছি, যদি অতীতে টাইম ট্রাভেল করা সম্ভব হত, তাহলে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতাম আমরা সবাই।


আমি পার্সোনালি মনে করি, টাইম ট্রাভেল করা কখনোই সম্ভব না এবং যদি কোন সময় সম্ভবও হয়, আমাদের এটা করা উচিত হবেনা। আমি ভবিষ্যতের কথা জানিনা। তবে আমরা সাইন্স এবং টেকনোলজির এমন একটি পর্যায়ে আছি, যেখানে থেকে ভবিষ্যতে টাইম ট্রাভেল সম্ভব হবে এমনটাও বলা যায়না, আবার কখনোই যে সম্ভব হবেনা তাও দাবী করা যায়না। যাইহোক, আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। টাইম ট্রাভেলিং নিয়ে আপনার ধারনা কি? সেটাও কমেন্ট সেকশনে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

Illustration Credit : Canva

সিয়াম একান্ত

আমি সিয়াম। অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ এবং প্রযুক্তিকে ভালোবাসি। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। তাই পড়াশুনার পাশাপাশি প্রায় অধিকাংশ সময়ই প্রযুক্তি নিয়ে সময় কাটাই। আশা করি এখানে আপনাদেরকে প্রযুক্তি বিষয়ক ভালো কিছু আর্টিকেল উপহার দিতে পারব।

25 comments

  • হাজারো এবং লাখো চেষ্টা করেও মাথায় অনেক প্রশ্ন থেকেই গেলো ভাই। এটা কালের সবচাইতে কোনফিউজিং জিনিস। এত প্রশ্ন মনে জমে আছে শেষ করতে লাখ ওয়ার্ড লাগবে।

    • হ্যা ভাইয়া। টাইম ট্রাভেলং জিনিসটা অনেক কনফিউজিং একটা টপিক। সবকিছু নিজেও জানা সম্ভব না আর ব্যাখ্যা করতে হলেও কমপক্ষে ৫০০০ ওয়ার্ড+ হয়ে যাবে।

  • অসাধারন ছিল ভাই!!! আর্টিকেল টি পড়তে পড়তে inception সিনেমাটার কথা মনে পরে গেল।

  • এইটাই তো চাচ্ছিলাম মনে মনে
    তবে টাইম ট্রাভেল নিয়ে আরো আর্টিকেল কিন্তু চাই নেক্সট টাইম। কনফিউজিং একটু মানছি কিন্তু ইন্টারেস্টিং তো কম নয়।

    • হ্যা। তা ঠিক। তবে সত্যি কথা বলতে টাইম ট্রাভেলিং এর বিষয়গুলো এতটাই কনফিউজিং যে, কিছু লেখার আগে সোর্স নিয়ে নিজেকেই অনেক্ষন স্টাডি করতে হয়। তবে সামনে এই সম্পর্কিত আরো আর্টিকেল পাবেন আশা করছি। 🙂

    • শেক্সপিয়ার প্যারাডক্স তো নাম রাখা হয়নি ভাইয়া। এটার নাম রাখা হয়েছে বুটস্ট্র্যাপ প্যারাডক্স। সব কবির ক্ষেত্রেই এমন হবে। এখানে শেক্সপিয়ারকে উদাহরন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

  • আমার মতে টাইম ট্রাভেল কখনোই সম্ভব নয়। কিভাবে সম্ভব? টাইম তো জাস্ট একটা পরিমাপ। ঘড়ি জাস্ট সেই পরিমাপ রিপ্রেজেন্ট করে দেয়। কিভাবে সেগুলো পেছনা বা সামনে যাওয়া সম্ভব?

    ভবিষ্যতে হয়তো যেতে যাওয়া পারে কিন্তু অতীতে সম্ভব কিভাবে? আমরা যা করি সব কিছু কি রেকর্ড হয়ে থাকে যে সেগুলো আবার প্লে করা যাবে? যদি আমরা ডিজিটাল জিনিস হতাম তাহলে সম্ভব ছিল এগুলো। নতুবা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। অন্তত আমার মাথায় ঢুকে না।

    • ভালো যুক্তি দিয়েছেন। হ্যাঁ, আমারো মনে হয়না টাইম ট্রাভেল কখনো সম্ভব হবে। 🙂

  • হা হা হা। মজাই মজা। যদি সম্ভব হয় টাইম ট্রাভেলে যাওয়ার তবে আমি গিয়ে গুরে আসতাম ১০০ বছর পরে কি হবে ভবিষ্যৎ থেকে। হো হো হো। ধন্যবাদ ভাইয়া।

টেক নিউজ!

সবার আগে সকল সর্বশেষ প্রকাশিত টেক নিউজ গুলো চেক করুণ! স্মার্টফোন/গ্যাজেট রিলিজ, ইন্টারনেট নিউজ, টেক দুনিয়ার সবকিছুর সাথে থাকুন সর্বদা আপডেটেড!

সোশ্যাল মিডিয়া

লজ্জা পাবেন না, সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে টেকহাবসের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!